জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম ফরিদাবাদ

  • ফারিদাবাদ ১১/১২, হরিচরণ রায় রোড, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা - ১২০৪
  • ভাষা

আহলান সাহলান

জামিয়া পরিচিতি

ধর্মীয় শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা মানুষ গড়ার সর্বোত্তম হাতিয়ার এবং শিক্ষা সমাজ পরিবর্তনেরও বলিষ্ঠ হাতিয়ার। কেবল জাতীয় আদর্শ ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে প্রণীত নৈতিকতাসমৃদ্ধ ধর্মভিত্তিক শিক্ষাই এই মেরুদ- ও হাতিয়ারকে সুদৃঢ় করতে সক্ষম। শিক্ষা প্রয়োজনীয় হলেও আদর্শ বিবর্জিত নীতি-নৈতিকতাহীন শিক্ষা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কারণ, শিক্ষা কখনো মানুষকে প্রকৃত মনুষ্যত্ব উপহার দিতে পারে না।

ইউরোপ, আমেরিকার বর্তমান সামাজিক অবস্থা এর বাস্তব প্রমাণ। পাশ্চাত্য সমাজ আজ যে আদর্শ সঙ্কটে নিমজ্জিত, এর একমাত্র কারণ হচ্ছে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি উদাসীনতা। সুতরাং নীতিবহির্ভূত শিক্ষা কারও কাম্য হতে পারে না।

সম্পূর্ণ পরিচিতি

বিভাগসমূহ

মক্তব বিভাগ

প্রাইমারী স্তর। উক্ত বিভাগে সর্বমোট পাঁচ বছরে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রয়োজনীয় অংক, বাংলা, ইংরেজি, ভূগোল ও ইতিহাস ইত্যাদিসহ নাজেরা কোরআন শরীফ, মাসনুন দুআ ও প্রাথমিক পর্যায়ের উর্দু, ফার্সি ও জরুরি মাসায়েল শিক্ষা দেওয়া হয়।

হিফয বিভাগ

এ বিভাগে সযত্নে ছাত্রদের কোরআনে কারীম হিফয করানো হয়। প্রতিদিন প্রশ্নোত্তরে ইয়াদ যাচাই করন এবং রিপোর্ট বইয়ের মাধ্যমে পড়াশোনার ধারাবাহিকতা প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা। কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক উস্তাদদের নেগরানিতে রাখা।

মারহালা ইবতিদাইয়্যাহ

আরবী বিভাগের দ্বিতীয় স্তর, নিম্ন মাধ্যমিক মানের। দু’বছরে সম্পন্ন হয়। এতে প্রাথমিক পর্যায়ে ইলমে সরফ (আরবী ব্যাকরণের শব্দগঠন সংক্রান্ত অধ্যায়) আরবী সাহিত্য, বাংলা সাহিত্য ও সাধারণ জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া হয়।

মারহালা মুতাওয়াসসিতা

আরবী বিভাগের তৃতীয় স্তর, উচ্চ মাধ্যমিক মানের। উক্ত মারহালায় মোট চার বছরে এ মানের উচ্চতর আরবী ব্যাকরণ, ফিকহ ও ফিকহের মূলনীতি, আরবী সাহিত্য, কুরআনে কারীমের অনুবাদসহ ইলমে মানতেক (যুক্তিবিদ্যা) শিক্ষা দেওয়া হয়।

মারহালা সানাবিয়া উলইয়া

আরবী বিভাগের চতুর্থ স্তর, উচ্চ মাধ্যমিক মানের। এই মারাহালায় দুই বছরে কোরআনে কারীমের অনুবাদ, ফিকহ, উসূলে ফিকহ, প্রাচীন আরবী সাহিত্য, সমকালীন আরবী সাহিত্য, ফারায়েজ ও অংলঙ্কারশাস্ত্র শিক্ষা দেওয়া হয়।

মারহালা ফজিলত

আরবী বিভাগের পঞ্চম স্তর, স্নাতক মানের। এই মারহালায় দুই বছরে তাফসীর, উসূলে তাফসীর, হাদীস, উলূমে হাদীস, ফিকহ, ইতিহাস ও ইসলামী আকাইদ শিক্ষা দেওয়া হয়।

মারহালা তাকমিল

(আরবী বিভাগের ষষ্ঠ স্তর, ইসলামী সাধারণ শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর মাস্টার্স মানের) উক্ত মারহালায় এক বছরে কুতুবে সিত্তা তথা বুখারি, মুসলিম, তিরমিযী, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহসহ অন্যান্য হাদীসের কিতাব যথা মুয়াত্তা মুহাম্মদ, মুয়াত্তা মালেক, শরহু মাআনিল আসার (ত্বহাবি), শামায়েলে তিরমিযী ইত্যাদি কিতাব পড়ানো হয়।

ইফতা বিভাগ

এ বিভাগে দাওরায়ে হাদীস সমাপ্ত করা মেধাবী ছাত্রদের দুবছরে বিশেষভাবে ফিকহ্শাস্ত্র অনুশীলন ও গবেষণার মাধ্যমে ফতোয়া প্রদানের যোগ্য করে গড়ে তোলা হয়।

আসাতেযায়ে কেরাম

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিয়ে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে জামিয়ার ইলমে নববীর জ্যোতি বিকিরণ করে গেছেন প্রখ্যাত বুযুর্গানে দীন। যাঁরা ইলম-আমলে আকাবীরে দেওবন্দের বাস্তব নমুনা ছিলেন। যাঁদের সুনামের সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়েছিল দিক-বিদিক। যাঁদের মূল্যবান মেধা, শ্রম, সময় ব্যয়ে অত্র জামিয়া হয়ে উঠেছে দীনি ইলম শিক্ষাদানের এক মহীরুহে। তাঁদের নান্দনিক বলিষ্ঠ দরস প্রদানে জামিয়ার ছাত্রগণও গড়ে উঠছে তাঁদের যোগ্য উত্তরসূরিরূপে। তাদের কয়েকজনের নাম এখানে উল্লেখ করা হলো।

পরিসংখ্যান

ফারেগীন ছাত্র

0

বর্তমান ছাত্র

0

বর্তমান শিক্ষকবৃন্দ

0

স্টাফ

0

ফতোয়া

একটি ভুল ধারণা : এক নামের সবাইকে মাফ করে দেওয়া হবে

আমরা কোনো নবীর নামে বা কোনো সাহাবী কিংবা উম্মাহর কোনো বড় আলেম-মনীষীর নামে নিজেদের সন্তানের নাম রাখি। এটা অবশ্যই প্রশংসনীয়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

বিস্তারিত

একটি ভুল ধারণা : মুসাফাহা কি শুধু পুরুষদের জন্য?

কিছু কিছু মানুষের ধারণা, মুসাফাহা শুধু পুরুষের জন্য। মহিলাদের পরস্পরে মুসাফাহার বিধান নেই। তাদের এ ধারণা ঠিক নয়। বরং মুসাফাহার বিধান নারীদের পরস্পরের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

বিস্তারিত

একটি ভুল নাম : আব্দুন নবী

আমাদের সমাজে কোনো কোনো মানুষের এই নাম বা এ ধরনের নাম শোনা যায়। এভাবে কারো নাম রাখা ঠিক নয়। আব্দুল্লাহ অর্থ আল্লাহর বান্দা আর আব্দুন নবী অর্থ নবীর বান্দা। কোনো মানুষ নবীর বান্দা হতে পারে না;

বিস্তারিত

নোটিশবোর্ড

top